রক্তদান জীবন বাঁচায় এবং বেশিরভাগ সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য এটি নিরাপদ। তবে শরীরকে সুস্থ রাখতে নির্দিষ্ট সময় বিরতি মেনে রক্তদান করা জরুরি। চলুন, জেনে নিই এটি সম্পর্কে বিস্তারিত।
রক্তদানের ধরন ও কতবার করা যায়
১. সম্পূর্ণ রক্ত
কতদিন পরপর: প্রতি ৫৬ দিন বা ৮ সপ্তাহ
বছরে সর্বোচ্চ: ৬ বার
সময় লাগে: প্রায় ১ ঘণ্টা
এতে একসাথে লোহিত রক্তকণিকা, প্লাজমা ও প্লেটলেট নেওয়া২. প্লাটিলেট
কতদিন পরপর: প্রতি ৭ দিন
বছরে সর্বোচ্চ: ২৪ বার
সময় লাগে: প্রায় ৩ ঘণ্টা
এতে শুধু প্লাটিলেট নেওয়া হয়, বাকিটা শরীরে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
৩. প্লাজমা
কতদিন পরপর: প্রতি ২৮ দিন বা ৪ সপ্তাহ
বছরে সর্বোচ্চ: ১৩ বার
সময় লাগে: ১–২ ঘণ্টা
এতে রক্তের তরল অংশ (প্লাজমা) নেওয়া হয়।
৪. দ্বিগুণ লোহিত রক্তকণিকা
কতদিন পরপর: প্রতি ১১২ দিন বা প্রায় ৪ মাস
বছরে সর্বোচ্চ: ৩ বার
সময় লাগে: প্রায় ১.৫ ঘণ্টা
সাধারণত ও পজেটিভ-নেগেটিভ, এ নেগেটিভ, বি নেগেটিভ রক্তের গ্রুপের জন্য উপযুক্ত।
কেন বিরতি রাখা দরকার?
শরীরকে রক্ত ও আয়রন আবার তৈরি করার সময় দিতে এবং আয়রনের ঘাটতি ও হিমোগ্লোবিনরক্তদানের সাধারণ যোগ্যতা
বয়স সাধারণত ১৭ বছর বা তার বেশি,
ওজন কমপক্ষে ১১০ পাউন্ড,
শরীরের তাপমাত্রা, রক্তচাপ ও হিমোগ্লোবিন স্বাভাবিক,
ভালো অনুভব করা, জ্বর বা অসুস্থতা না থাকা,
দীর্ঘমেয়াদি রোগ থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে থাকা।
কখন রক্তদান থেকে বিরত থাকবেন
জ্বর, কাশি বা অসুস্থ থাকলে,
সাম্প্রতিক কিছু দেশে ভ্রমণ করলে (যেমন ম্যালেরিয়ার ঝুঁকি),
অ্যান্টিবায়োটিক বা কিছু বিশেষ ওষুধ খেলে,
গত ৩ মাসে ট্যাটু বা পিয়ার্সিং করালে,
অপারেশনের পর,
গর্ভাবস্থায় এবং সন্তান জন্মের পর অন্তত ৬ সপ্তাহ।
রক্তদান করার আগে সবসময় নির্দেশিকা মেনে চলুন—এতে আপনি ও রক্তগ্রহীতা দুজনই নিরাপদ থাকবেন।
সূত্র: হেলথ কমে যাওয়া এড়াতে। হয়।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Post a Comment