মহান বিজয় দিবস নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম এবং লাখো শহীদের আত্মত্যাগের ফসল ১৬ ডিসেম্বরের বিজয়কে কেবল ভারতের বিজয় হিসেবে দাবি করায় তীব্র নিন্দা জানাচ্ছেন সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা।এই ঘটনার প্রতিবাদে মোদির কুশপুত্তলিকা দাহসহ বড় ধরনের বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে।
বিক্ষুব্ধ নেটিজেন ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মোদির এই বক্তব্য বাংলাদেশের লাখো মাজলুমের রক্তে অর্জিত বিজয় দিবসের ওপর এক নগ্ন হস্তক্ষেপ। ৩০ লাখ শহীদের প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে ভারতের একক বিজয় হিসেবে বর্ণনা করাকে বাংলাদেশের অস্তিত্ব ও আত্মত্যাগের প্রতি চরম অবমাননা এবং বিজয় দিবসকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা হিসেবে দেখছেন তাঁরামোদির এই বিতর্কিত বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাতে রাজপথে নামার ঘোষণা দিয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।কর্মসূচি: গুজরাটের কসাই হিসেবে পরিচিত নরেন্দ্র মোদির কুশপুত্তলিকা দাহ ও প্রতিবাদ সমাবেশ।
স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে।
সময়: আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর), বিকাল ৪টা ৩০ মিনিট।
আয়োজনে: আধিপত্যবাদ বিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দসামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও এক্সে (সাবেক টুইটার) ব্যবহারকারীরা মোদির বার্তার কড়া সমালোচনা করছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মালিকানা কেড়ে নিয়ে একে ভারতের ঐতিহাসিক বিজয় হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। মোদির পুরো পোস্টে কোথাও বাংলাদেশ বা মুক্তিযুদ্ধের নাম উল্লেখ না থাকাটা আধিপত্যবাদী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন অনেকে। বারবার একই ধরনের দাবি করায় ভারতের বর্তমান সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বাংলাদেশের তরুণ সমাজের মধ্যে গভীর বিরূপ মনোভাব তৈরি হয়েছে।উল্লেখ্য যে, ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম হয়। যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ভারত মিত্রবাহিনী হিসেবে সহায়তা করলেও এটি মূলত বাঙালির বিজয়ের দিন। মোদির এই বক্তব্য সেই ঐতিহাসিক সত্যের অপআলাপ হিসেবে গণ্য হচ্ছে।।।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Post a Comment