আয়েশাকে প্রথমে পালাতে পরে গ্রেপ্তারে সহায়তা করেন স্বামী, জানা গেল চাঞ্চল্যকর তথ্য
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়ে হত্যার ঘটনায় মূল আসামি গৃহকর্মী আয়েশা ও তার স্বামী রাব্বীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হত্যার পর গৃহকর্মী আয়েশা তার স্বামীর সঙ্গে বিষয়টি শেয়ার করলে স্বামী তাকে পালাতে সহায়তা করেন। পরে আবার রাব্বীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই আয়েশাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তেজগাঁও বিভাগের এডিসি মোহাম্মাদ জুয়েল রানা গণমাধ্যমকে জানান, প্রথমে ঢাকার সাভার থেকে আয়েশার স্বামীকে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ঝালকাঠির নলছিটি থেকে হাতেনাতে আয়েশাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।
পুলিশ জানায়, আজ বেলা ১২টার দিকে ঝালকাঠির নলছিটি থেকে গৃহকর্মী আয়েশাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। এ ছাড়া তার স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। হত্যাকাণ্ডে তার সংশ্লিষ্টতা থাকলে তাকেও গ্রেপ্তার দেখানো হবে।
এডিসি মোহাম্মাদ জুয়েল রানা জানান, ক্লু-লেস এই জোড়া খুনের রহস্য উদঘাটন করতে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে ৬ মাস আগে মোহাম্মাদপুরের বেড়িবাঁধ এলাকার একটি বাসায় চুরিও করেছিলেন আয়েশা।জানা যায়, গৃহকর্মী আয়শাকে গ্রেপ্তার করা সেই বরিশালের নলছিটি এলাকায় তার দাদা শ্বশুরের গ্রামের বাড়ি। নলছিটি থানার ওসি আশরাফ আলী বলেন, ‘আয়েশার স্বামীর বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিস্তারিত ঢাকা থেকে জানাবে।’
গত সোমবার (৮ ডিসেম্বর) মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে লায়লা ফিরোজ (৪৮) ও মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজের (১৫) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে জোড়া হত্যার ঘটনায় সোমবার রাতে গৃহকর্মী আয়েশাকে একমাত্র আসামি করে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন নিহত লায়লা আফরোজের স্বামী স্কুলশিক্ষক আ জ ম আজিজুল ইসলাম।

Post a Comment