Top News

চিনাবাদাম খেয়েই সারবে অ্যালার্জি? নতুন গবেষণায় উঠে এল চমকপ্রদ তথ্য

 


অ্যালার্জি মানেই আজীবন আতঙ্ক, প্রতিটি খাবারে সাবধানতা, আর অসংখ্য নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে বেঁচে থাকা। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, আশ্চর্য হলেও সত্য যে চিনাবাদাম এতদিন ভয় সৃষ্টি করেছে, সেটিই আবার হতে পারে তার চিকিৎসার সম্ভাব্য উপায়! যুক্তরাজ্যের গবেষকেরা দাবি করছেন, নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে অল্প অল্প করে চিনাবাদাম খাওয়ালে প্রাপ্তবয়স্ক অ্যালার্জি রোগীদের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে উল্লেখযোগ্য উন্নতি।


লন্ডনের কিংস কলেজ এবং গাই’স অ্যান্ড সেন্ট থমাস এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট পরিচালিত ‘গ্রোন আপ পিনাট ইমিউনোথেরাপি’ (GUPI) নামের এই গবেষণায় অংশ নেন ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সী ২১ জন প্রাপ্তবয়স্ক, যাদের চিনাবাদাম অ্যালার্জি পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছিল।গবেষণায় প্রথমে অতি সামান্য পরিমাণ চিনাবাদামের গুঁড়া খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ানো হয়। এরপর ধীরে ধীরে সেই পরিমাণ বাড়ানো হয়, সব সময় চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে। যারা শুরুতেই সহনশীলতা দেখান, তাদের জন্য ঘরেই প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ চিনাবাদাম খাওয়ার রুটিন নির্ধারণ করা হফলাফল ছিল বিস্ময়কর। অংশগ্রহণকারীদের দুই-তৃতীয়াংশ কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই ১.৪ গ্রাম চিনাবাদাম প্রোটিন অর্থাৎ প্রায় পাঁচটি চিনাবাদাম খেতে সক্ষম হন। নিয়মিত এই পরিমাণ গ্রহণের পর তাদের সংবেদনশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। অনেকেই স্বাভাবিকভাবে খাবারে চিনাবাদাম গ্রহণ করতে পারেন, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ করেছে।

 


কেন এই ফলাফল এত গুরুত্বপূর্ণ?

চিনাবাদাম অ্যালার্জিতে আক্রান্ত একজন মানুষের কাছে প্রতিটি খাবারই হতে পারে বিপজ্জনক। সামাজিক অনুষ্ঠান, ভ্রমণ, এমনকি কর্মজীবনের ক্ষেত্রেও তারা বাধার মুখে পড়েন। তাই এই গবেষণা তাদের জীবনে এক নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে। গবেষণার প্রধান অধ্যাপক স্টিফেন টিল জানিয়েছেন, “শিশুদের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি কার্যকর হলেও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য এটি প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল। এতে দেখা গেছে, অ্যালার্জির প্রভাব কমে আসে এবং রোগীর সার্বিক জীবনমান উন্নত গবেষকরা বলেছেন, সামনে আরও বৃহত্তর পরিসরে এই পদ্ধতি পরীক্ষা করা হবে। কোন বয়সী বা কোন ধরনের রোগীর জন্য পদ্ধতিটি সবচেয়ে ভালো কাজ করবে, তাও খতিয়ে দেখা হবে। যদিও এটি এখনো স্থায়ী চিকিৎসা নয়, তবে বিশেষজ্ঞদের বিশ্বাস এই গবেষণা ভবিষ্যতে চিনাবাদাম অ্যালার্জি চিকিৎসার নতুন দুয়ার খুলতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ ও নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে যদি এই থেরাপি সফল হয়, তাহলে বহু মানুষের জীবন থেকে ভয় দূর হয়ে যেতে পারে চিরতরে।হয়।”য়।

🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

10s

⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Post a Comment

Previous Post Next Post