ইমানের সঙ্গে সুন্দর মৃত্যু প্রত্যেক মুমিনের স্বপ্ন। দুনিয়ার যাত্রা যত দীর্ঘই হোক, শেষ মুহূর্তটাই বান্দার প্রকৃত সফলতা বা ব্যর্থতার পরিচয়।১. ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’-এ কালিমায় অটল থাকা
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এ কালিমার ব্যাপক তাৎপর্য অনুযায়ী আমাদের জীবনকে পরিচালনা করতে পারি, তবে আমাদের জন্য উত্তম মৃত্যু পাওয়া সহজতর হবে। যে ব্যক্তির শেষ কথা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ হবে (অর্থাৎ এই কালেমা পড়তে পড়তে যার মৃত্যু হবে), সে জান্নাতে প্রবেশ করবে২. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়মিত আদায়
নামাজ ঈমানকে শক্ত রাখে এবং আল্লাহর স্মরণে স্থিরতা আনে। নিয়মিত সালাত পালন উত্তম মৃত্যুর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ আছে।
৩. মৃত্যুকে স্মরণ করে নিয়মিত তাওবা ও ইস্তিগফার
নিজের ভুল–ত্রুটি থেকে ফিরে আসা এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া—মৃত্যুর আগে অন্তরকে পবিত্র রাখার সর্বোত্তম উপায়। মৃত্যুকে বেশি বেশি স্মরণ করলে সেটা আমাদের গুনাহ মোচনের উপায় হয় এবং মৃত্যু পরবর্তী জীবন নিয়ে আমাদেরকে প্রস্তুত হতে তাগিদ দেয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘বেশি বেশি মৃত্যুকে স্মরণ করো। কারণ, এটি গুনাহকে ধুয়ে দেয় এবং দুনিয়ার প্রতি মোহ কমায়।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৪,যে ব্যক্তি মৃত্যুর কথা স্মরণ করে, সে গুনাহ থেকে দূরে থাকে, নিয়মিত তওবা করে এবং মৃত্যুর আগেই জীবন ঠিক করে নিতে পারে। মৃত্যু ভালো অবস্থায় হবে কি না, অর্থাৎ ঈমান ও নেক আমলে থাকা অবস্থায় মৃত্যু হবে কি না-এই চিন্তা সর্বদা বান্দার মনে থাকা উচিত। এটাই তাকে নেক আমলে উদ্বুদ্ধ করে।
৪. অন্যের প্রতি সদাচার ও গোপনে সৎকর্ম করা
মানুষের উপকার করা, বিশেষ করে গোপনে দান–সদকা, প্রায়ই ব্যক্তিকে আল্লাহর রহমত লাভে সহায়তা করে এবং সুন্দর পরিণতি এনে দেয়।
দান-সদকা করা ও আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা দীর্ঘ হায়াত লাভ ও ভালো মৃত্যু হওয়ার অন্যতম মাধ্যম। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘সদকা আল্লাহ তায়ালার ক্রোধ প্রশমিত করে এবং খারাপ মৃত্যু থেকে রক্ষা করে। (সুনানে তিরমিজি:তিনি আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি চায় যে, তার জীবিকা প্রশস্ত হোক এবং তার আয়ু বৃদ্ধি হোক, সে যেন তার আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে। (আল আদাবুল মুফরাদ)
৫. দোয়া করা
রাসুল (সা.) উত্তম মৃত্যু ও ঈমানের ওপর শেষ নিশ্বাস চেয়ে আল্লাহর কাছে বিশেষভাবে দোয়া করতেন। নিয়মিত এ দোয়া করা সুন্নাহ।
হেদায়েতের পথে অটল থাকার জন্য ও সুন্দর মৃত্যুর জন্য আমাদেরকে অন্য সব করণীয় কাজের পাশাপাশি দোয়াও করে যেতে হবে। জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত হয়ে ও রাসুল (সা.) সবসময় নিজেকে নিয়ে ভীত থাতিনি সবচেয়ে বেশি যে দোয়াটি করতেন সেটি হল, ‘ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুব, সাব্বিত কালবি ‘আলা দীনিক।’কতেন। ৬৬৪)২৫৮)।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Post a Comment