Top News

ভূমিকম্পের আগাম সংকেত সবার আগে টের পায় কোন সৃষ্টি জীব?

 


প্রকৃতির অন্যতম ভয়াবহ দুর্যোগ ভূমিকম্প। এই আকস্মিক ভূকম্পন পূর্বপ্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ না দেওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হয় বিপুল। মানুষ এই দুর্যোগের পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করলেও, দীর্ঘকাল ধরেই ধারণা করা হয় যে প্রকৃতির কিছু প্রাণী আগে থেকেই আসন্ন বিপদের আঁচ পায়। বিজ্ঞানীরাও এই ধারণাটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা চালাচ্ছেন।ইতিহাসের বিভিন্ন ঘটনা ও সাম্প্রতিক গবেষণাগুলোতে দেখা গেছে, কিছু প্রাণী ভূমিকম্পের আগে অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে। এই প্রাণীদের বিশেষ শারীরিক ক্ষমতার কারণে তারা মানুষের আগে ভূগর্ভের সূক্ষ্ম পরিবর্তনগুলো টের পায় বলে ধারণা করা হয়।


পশু-পাখি: অনেকে মনে করেন কুকুর ভূমিকম্পের পূর্বাভাস আগে পেতে পারে, যদিও এই বিষয়ে নিশ্চিত কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই, তবে গবেষণা চলছে। এছাড়া মুরগি, মাছ এবং ব্যাঙের মতো প্রাণীর মাধ্যমে ভূকম্পনের সংকেত পাওয়ার চেষ্টা করছেন গবেষকরাসরীসৃপ ও কীট: অতীতে অনেকবার ভূমিকম্পের ঠিক আগে সাপ বা অন্যান্য সরীসৃপদের দল বেঁধে গর্ত ছেড়ে বেরিয়ে আসতে দেখা গেছে। ধারণা করা হয়, পিঁপড়েরা ২.০ তীব্রতার মতো কম মাত্রার কম্পনও বুঝতে পারে।


গিরগিটির বিশেষ ক্ষমতা: নতুন কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, গিরগিটির অতিরিক্ত শ্রবণশক্তি রয়েছে এবং তারা বিভিন্ন ধরণের কম্পন শনাক্ত করতে সক্ষম। গবেষকরা মনে করেন, গিরগিটি তাদের ভেতরের কানের একটি অংশ 'স্যাকুলস' ব্যবহার করে কম ফ্রিকোয়েন্সির কম্পনও শনাক্ত করতে পারে।


নাসার ভূপদার্থবিদ ফ্রেডম্যান ফ্রেউন্ডের মতে, ভূমিকম্পের সময় ভূগর্ভস্থ পাথরগুলোর সংঘর্ষের কারণে মাটি বা জলাশয়ে কিছু রাসায়নিক পরিবর্তন হয় এবং মাটির নিচে ধনাত্মক আয়নের সৃষ্টি হয়। এই আয়নগুলো ভূপৃষ্ঠে উঠে আসে, যা পশুপাখিরা তাদের বিশেষ সংবেদনশীলতার কারণে টের পেয়ে থাকতে পারে। বিজ্ঞানীরা জানান, ভূমিকম্পের আগে ছোট ছোট কম্পন বা তরঙ্গ পশুপাখিরা মানুষের চেয়ে দ্রুত অনুভব করে।


মানুষের ক্ষেত্রেও ভূমিকম্প অনুভব করার বিষয়টি নির্ভর করে ব্যক্তিগত সংবেদনশীলতা এবং অবস্থানের ওপর। বিশেষজ্ঞরা বলেন, যাদের মোশন সেনসিটিভিটি বা গতিবোধ বেশি, তারা সামান্য নড়াচড়াও দ্রুত টেপরিবেশ 



প্রকৃতির অন্যতম ভয়াবহ দুর্যোগ ভূমিকম্প। এই আকস্মিক ভূকম্পন পূর্বপ্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ না দেওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হয় বিপুল। মানুষ এই দুর্যোগের পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করলেও, দীর্ঘকাল ধরেই ধারণা করা হয় যে প্রকৃতির কিছু প্রাণী আগে থেকেই আসন্ন বিপদের আঁচ পায়। বিজ্ঞানীরাও এই ধারণাটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা চালাচ্ছেন।


ইতিহাসের বিভিন্ন ঘটনা ও সাম্প্রতিক গবেষণাগুলোতে দেখা গেছে, কিছু প্রাণী ভূমিকম্পের আগে অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে। এই প্রাণীদের বিশেষ শারীরিক ক্ষমতার কারণে তারা মানুষের আগে ভূগর্ভের সূক্ষ্ম পরিবর্তনগুলো টের পায় বলে ধারণা করা হয়।


পশু-পাখি: অনেকে মনে করেন কুকুর ভূমিকম্পের পূর্বাভাস আগে পেতে পারে, যদিও এই বিষয়ে নিশ্চিত কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই, তবে গবেষণা চলছে। এছাড়া মুরগি, মাছ এবং ব্যাঙের মতো প্রাণীর মাধ্যমে ভূকম্পনের সংকেত পাওয়ার চেষ্টা করছেন গবেষকরা।


সরীসৃপ ও কীট: অতীতে অনেকবার ভূমিকম্পের ঠিক আগে সাপ বা অন্যান্য সরীসৃপদের দল বেঁধে গর্ত ছেড়ে বেরিয়ে আসতে দেখা গেছে। ধারণা করা হয়, পিঁপড়েরা ২.০ তীব্রতার মতো কম মাত্রার কম্পনও বুঝতে পারে।


গিরগিটির বিশেষ ক্ষমতা: নতুন কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, গিরগিটির অতিরিক্ত শ্রবণশক্তি রয়েছে এবং তারা বিভিন্ন ধরণের কম্পন শনাক্ত করতে সক্ষম। গবেষকরা মনে করেন, গিরগিটি তাদের ভেতরের কানের একটি অংশ 'স্যাকুলস' ব্যবহার করে কম ফ্রিকোয়েন্সির কম্পনও শনাক্ত করতে পারে।


নাসার ভূপদার্থবিদ ফ্রেডম্যান ফ্রেউন্ডের মতে, ভূমিকম্পের সময় ভূগর্ভস্থ পাথরগুলোর সংঘর্ষের কারণে মাটি বা জলাশয়ে কিছু রাসায়নিক পরিবর্তন হয় এবং মাটির নিচে ধনাত্মক আয়নের সৃষ্টি হয়। এই আয়নগুলো ভূপৃষ্ঠে উঠে আসে, যা পশুপাখিরা তাদের বিশেষ সংবেদনশীলতার কারণে টের পেয়ে থাকতে পারে। বিজ্ঞানীরা জানান, ভূমিকম্পের আগে ছোট ছোট কম্পন বা তরঙ্গ পশুপাখিরা মানুষের চেয়ে দ্রুত অনুভব করে।


মানুষের ক্ষেত্রেও ভূমিকম্প অনুভব করার বিষয়টি নির্ভর করে ব্যক্তিগত সংবেদনশীলতা এবং অবস্থানের ওপর। বিশেষজ্ঞরা বলেন, যাদের মোশন সেনসিটিভিটি বা গতিবোধ বেশি, তারা সামান্য নড়াচড়াও দ্রুত টের পান।


স্থিতিশীলতা: যিনি স্থির হয়ে বসে কাজ করছেন বা বিশ্রাম নিচ্ছিলেন, তিনি সাধারণত হাঁটাহাঁটি করা বা অন্য কাজে ব্যস্ত ব্যক্তির তুলনায় কম্পন দ্রুত টের পেয়ে যান।


অনুভূতির তারতম্য: মানুষের মধ্যে ভূমিকম্প অনুভূতির এই তারতম্য স্বাভাবিক।


যদিও পশুপাখির আগাম সংকেত দেওয়ার ক্ষমতা নিয়ে গবেষণা চলছে এবং অনেক রহস্য এখনও উন্মোচিত হয়নি, তবে এটুকু নিশ্চিত যে তাদের সংবেদনশীলতা অনেক ক্ষেত্রে মানুষের চেয়ে বেশি। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ক্ষতি কমানোর জন্য আগাম পূর্বাভাস পদ্ধতির পাশাপাশি মানুষের সচেতনতা ও প্রস্তুতিই সবচেয়ে জরুরি।র পান।।

🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

10s

⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Post a Comment

Previous Post Next Post